বিসিবি সভাপতি হওয়া ছিল ভুল সিদ্ধান্ত: বুলবুল

বাংলাদেশ ক্রিকেটের অধ্যায় গুটিয়ে নিয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। প্রায় দশ মাস ধরে বিসিবির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর তিনি স্বীকার করেছেন, এই সিদ্ধান্তটি ছিল ভুল। দুই মেয়াদে দায়িত্বে থাকা বুলবুল প্রথমে অস্থায়ী পদে ছিলেন, পরে নির্বাচনের মাধ্যমে স্থায়ী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। কিন্তু শেষ ছয় মাস ছিল অত্যন্ত controversial , যখন দেশের ক্রিকেট ঘিরে উঠেছিল সমালোচনা আর অনিশ্চয়তার মেঘ।

সাক্ষাৎকারে বুলবুল বলেন, ‘আপনি যদি পার্থিব জীবন নিয়ে চিন্তা করেন, এটা ছিল একটা অসম্ভব ভুল decision ।’ তবে তিনি আরও বলেন, ক্রিকেটের উন্নয়ন এবং দেশের জন্য কাজ করার দায়বদ্ধতা থেকে তিনি কিছুটা ত্যাগ মেনে নিয়েছেন। ‘আমি না হয় ছোট্ট একটা চাকরি ছেড়েছি, কিন্তু মানুষ দেশের জন্য বড় বড় ত্যাগ করে,’ বলেন তিনি।

বুলবুলের মতে, তিনি যে value দিয়েছেন, তা টাকায় কেনা যাবে না। ‘৪৫ বছরের খেলা ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, আইডিয়া—সবকিছু আমি ফ্রি দিয়েছি,’ যোগ করেন তিনি। এই মন্তব্যে তাঁর মধ্যে ঝরে পড়েছে একটু frustration আর আত্মসম্মানবোধ।

গত ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বুলবুলের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় এবং তামিম ইকবালের নেতৃত্বে অ্যাডহক কমিটি গঠন করে। এই সিদ্ধান্তের প্রতিরোধ করে বুলবুল বলেন, এটি বিসিবির গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী এবং আইসিসির নিয়মের direct violation । তাঁর মতে, চরম পরিস্থিতি ছাড়া নির্বাচিত পর্ষদ ভাঙা এনএসসির ক্ষমতার বাইরে।

বর্তমানে তামিমের কমিটি কাজ শুরু করলেও বুলবুলের দাবি, তিনিই এখনও বৈধ সভাপতি। এই দ্বন্দ্ব ক্রিকেট প্রেমীদের মধ্যে তৈরি করেছে অনিশ্চয়তার pressure । অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, ক্রীড়া পরিচালনায় সরকারি হস্তক্ষেপ কি খেলার স্বাধীনতাকে বিপন্ন করছে? এই প্রশ্ন এখন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় issue

প্রতিক্রিয়া 6

  • সৌমিত্র

    বুলবুল নিজেই মানছেন mistake হয়েছিল। কিন্তু এখন পদ ছাড়া সত্ত্বেও বৈধতা দাবি করা—এটা কি খেলোয়াড়ি মনোভাব?

  • রাফি_বিডি

    ৪৫ বছরের অভিজ্ঞতা ফ্রি দিয়েছেন মানলাম, কিন্তু ফলাফল কী এল? pressure বাড়ল, দলের পারফরম্যান্স নিম্নমুখী। অভিজ্ঞতা থাকলেও ফল না আসলে সিদ্ধান্তের মূল্য কমে যায়।

  • মুন

    সরকারি হস্তক্ষেপ যদি হয়, তাহলে আইসিসি সতর্ক হওয়া উচিত। এটা শুধু বিসিবি নয়, পুরো দেশের reputation নিয়ে খেলা।

  • খেলুড়ে

    তামিমের কমিটি নতুন, কিন্তু বুলবুলের সময় কী এমন করলেন যে দল এগোল না? progress কোথায় ছিল?

  • আরিফ_রহমান

    যে কেউ পদে থাকুক না কেন, ফলাফল আসলে দলের উপর নির্ভর করে। কিন্তু শাসনব্যবস্থা না ঠিক হলে ভবিষ্যতে আবার এমন হবে।

  • সামিহা

    বুলবুলের কথায় emotion বেশি, তর্ক কম। অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও সিদ্ধান্তের সমালোচনা এড়ানো যায় না।

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

learnenglishnews1999@gmail.com