মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসার: কখন সতর্ক থাকবেন এবং কী করবেন

অনেকদিন ধরেই আমাদের সমাজে একটি স্থবির belief ছিল—ক্যানসার মানেই অবধারিত মৃত্যু। কিন্তু আধুনিক চিকিৎসার অসামান্য উন্নতির কারণে সেই ধারণা ধীরে ধীরে ভাঙছে। বিশেষ করে মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসার—যা পুরুষদের মধ্যে lung ক্যানসারের পর দ্বিতীয় সাধারণ রূপ। তবে ভাগ্যক্রমে, জীবনযাপনে ছোট পরিবর্তন এবং বেশি সচেতন হওয়া দিয়েই এই রোগ প্রায় অর্ধেক ক্ষেত্রে prevent করা সম্ভব। সঠিক সময়ে রোগ শনাক্ত করাই এখন মৃত্যুর বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী weapon ।

সদ্য অনুষ্ঠিত একটি অনলাইন আলোচনায়, যেখানে ছিল শিরোনাম world-class ক্যানসার চিকিৎসা বাংলাদেশে, জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. রওশন আরা বেগম মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই ক্যানসার শুধু মুখ নয়, কণ্ঠনালি, জিভ, লালাগ্রন্থি, থাইরয়েড, এমনকি নাকের পেছনের অংশ পর্যন্ত ছড়াতে পারে। তামাক, জর্দা এবং মদ্যপান এর প্রধান কারণ, আর এই অভ্যাসগুলো শুধু পুরুষ নয়, মহিলাদের মধ্যেও risk বাড়িয়ে তুলছে। এছাড়া, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) এবং খারাপ মৌখিক স্বাস্থ্যও একটি বড় factor হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অধ্যাপক ডা. রওশন আরা বেগম স্পষ্ট করেন, মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসার জেনেটিক নয়, কিন্তু পারিবারিক লাইফস্টাইল এবং পরিবেশের প্রভাব খুব বেশি। যদি পরিবারে তামাক বা পান খাওয়ার রীতি থাকে, তবে পরবর্তী প্রজন্মে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঝুঁকি তৈরি করে। কারখানায় কাজ করা কিছু মানুষের ক্ষেত্রে কাঠের ধুলো নাকে প্রবেশ করাও একটি গুরুতর exposure । তাই পারিবারিক অভ্যাস পরিবর্তনই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর prevention ।

রোগটি শনাক্ত করা যায় কয়েকটি স্পষ্ট লক্ষণ থেকে। মুখের ভেতরে তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে থাকা ক্ষত, ঘাড়ে অব্যাখ্যাত মাংসপিণ্ড, গলা ফাটা, খাবার গিলতে difficulty , কানে বাড়তি ব্যথা অথবা মাড়ি থেকে রক্তপাত—এগুলো সবই সতর্কতার সংকেত। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, মুখে লাল বা সাদা দাগ দেখা দিলে আয়না দেখেই সেটি চেনা যায়। এই early লক্ষণগুলো ধরা পড়লে নিরাময়ের হার প্রায় ১০০%। তাই অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করলে দ্রুত নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ বা ডেন্টাল সার্জনের কাছে consult নেওয়া জরুরি।

চিকিৎসার প্রথম ধাপ হলো বায়োপসি, যা ক্যানসার নিশ্চিত করে। অনেকে ভয় পান যে বায়োপসি করলে ক্যানসার ছড়িয়ে যায়—এটি একটি myth । পরে সিটি স্ক্যান বা এমআরআই দিয়ে ক্যানসারের পর্যায় (স্টেজিং) নির্ধারণ করা হয়। প্রাথমিক স্টেজে শুধু রেডিয়েশন বা সার্জারি যথেষ্ট, কিন্তু জটিল ক্ষেত্রে একাধিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে এখন অঙ্গ রক্ষা করেই চিকিৎসা হচ্ছে। আইএমআরটি, ভিম্যাট এবং ফ্রি ফ্ল্যাপ সার্জারি রোগীর চেহারা ও কথা বলার ability ফিরিয়ে আনছে।

ডা. রওশন আরা বেগম আরও বলেন, ক্যানসার জয়ের জন্য চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীর mental শক্তি অপরিহার্য। চিকিৎসা শেষে প্রথম দুই বছর নিয়মিত ফলো-আপ খুব গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই সময়ে রোগ ফিরে আসার chance থাকে। সুস্থ জীবনযাপন, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং তামাক ত্যাগের মাধ্যমে আমরা ক্যানসারমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে পারি।

প্রতিক্রিয়া 6

  • র
    রোহিত

    আমার বাবার মুখে একটা ক্ষত ছিল কয়েক মাস ধরে। আমরা ভেবেছিলাম ঠান্ডা লাগার কারণে। এখন ভাবলে ভয় লাগে। early detection না হলে কী হত ভাবতেই পারছি না।

  • ম
    মিম

    জর্দা আর পান তো আমাদের সংস্কৃতির অংশ। কিন্তু এটা বুঝতে পারছি না কেন এগুলো public risk হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সচেতনতা বাড়ানো দরকার।

  • ন
    নাদিম

    বায়োপসি নিয়ে এত ভুল ধারণা মানুষের মধ্যে কেন? এটা তো রোগ নির্ণয়ের একমাত্র reliable পদ্ধতি। এটা ছড়ায় না।

  • ত
    তানিয়া

    আমার খুড়ি ক্যানসার জিতেছেন। তাঁর চেহারার কোনো ক্ষতি হয়নি। ফ্রি ফ্ল্যাপ সার্জারি আসলে একটা breakthrough ।

  • আ
    আরিফ

    এইচপিভি ভাইরাস নিয়ে কথা বলা হচ্ছে—কিন্তু এটা কীভাবে ছড়ায়? prevention করা যায় কিনা?

  • স
    সুমি

    আমাদের পাড়ায় একজন মহিলা ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁর বয়স মাত্র ৩৮। এটা দেখে আমি mental strength নিয়ে ভাবি। কীভাবে সামলান?

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

learnenglishnews1999@gmail.com